M.s. Arman Isca's status.
Israeli n ehudi......
ইসরাইল রাষ্ট্রের চূড়ান্ত পরিনতী -
একটা প্রশ্ন সবার মাথায়ই ঘুর পাক
খায় আর তা হল –
দাজ্জাল এর আত্বপ্রকাশের
পূর্বে আরবে অবস্থিত জোট সেনা (আমেরিকা ও
ব্রিটেন,ফ্রান্স সহ অন্যান্ন Nato ভূক্ত
দেশগুলি) কি সম্পূর্ন রূপে পতন হয়ে যাবে ?
যদি সম্পূর্ন রূপে পতন হয়ে তবে ইসরাইল
থাকবে নাকি শেষ হয়ে যাবে l
প্রথম প্রশ্নের উত্তরে বলতে গেলে – এ
বিষয়ে কিয়ামতের আলামত সংক্রান্ত হাদিস
গুলো অধ্যায়ন করলে পারে বুঝা যায়
যে,এতদাঞ্চলে অবস্থিত সকল দুশমন
সম্পূর্নরূপে পরাজয় বরন করবে l
কেননা সহী হাদিসের
মাধ্যমে একথা প্রমানিত যে,ইমাম
মাহদীর যুগে সম্পূর্ন শান্তি,নিরাপদ ও
স্বচ্ছলতার জীবন ফিরে আসবে l আর
এটি তখনই সম্ভব যখন,ইসলামের
দুশমনেরা এতদাঞ্চল
থেকে সম্পূরনরূপে পলায়ন করে চলে যাবে l
পাশা-পাশি রূম ও কনস্টান্টিপোল বিজয়ের
কথা নবীজির হাদিস দ্বারা প্রমানীত
l এবং আরব অঙ্চলে বিদ্যমান শত্রু পক্ষ
পরাজয় বরন করবে (যারা ১৯৯১
সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের বাহানায় আরব
সাগরের নানা স্থানে সমগ্র আবর
বিশ্বেকে বৃত্তাকারে পরিবেষ্টন করে নৌ/স্থল ও
বিমান ঘাটি গেড়েছে ) l আর বাকি রইল
ইসরাইল প্রসঙ্গ l স্পষ্টতই বুঝা যায়
যে,জোটবদ্ধ কাফেরদের যখন সম্পূর্ন পতন
হয়ে যাবে তখন ইসরাইলের শক্তিও নিঃশেষ
হয়ে যাবে l
দাজ্জালের ব্যাপারে হাদিসে বর্নিত
হয়েছে যে, ‘সে কোন একটি বিষয়ে রাগান্বিত
হয়ে আত্বপ্রকাশ করবে’ l হতে পারে যখন
কূফরী শক্তি সম্যক পরাজ্বয়ের সম্মুক্ষীন
হবে তখন দাজ্জাল গোস্বা আবস্থায়
আত্বপ্রকাশ করে ফেলবে l ফলে পরাজিত
কুফরী শক্তি পূনরায় তার সাথে একত্রিত
হবে l
এখানে আমি ইহুদিদের কিতাব (তাওরাত)
থেকে কতিপয় উদৃতি পেশ করছি,যেখানে পরিষ্কার
ভাবে বলা আছে যে,ইহুদিদের অপকর্মের
কারনে আল্লাহ
তায়ালা ইসরাইল’কে সম্পূর্ন ধ্বংস
করে দিবেন –
যদিয় ইহুদি সম্প্রদায় এসকল
আয়াতে অপব্যাখ্যার আশ্রয় নেয় l
ইসরায়েল অঙ্চলে প্রত্যাবর্তন ও
তা পূর্নতা দেওয়ার জন্য
ইহুদিরা যে দিনটির প্রহর গুনছে, সে দিনের
ব্যাপারে স্বয়ং তাদের কিতাবে বড়
আশ্চর্য ধরনের নকশা টানা হয়েছে l কিন্তু
ইহুদিরা তাদের চিরাচরিত স্বভাব ও
ধোকাবাযীর আশ্রয় নিয়ে এগুলোকে ভূল
অর্থে ব্যাখ্যা করে লোকদেরকে ধোকায় ফেলার
চেষ্টা করে l তাদের কিতাবের ‘ইযাখীল’
অধ্যায়ে বর্নিত হয়েছে –
“ অতপর আল্লাহ তায়ালা বলেন
যে,কেননা তোমরা (ইহুদি সম্প্রদায়) আমার
কাছে অত্যন্ত বখাটে ও লম্পট সাব্যস্ত
হয়েছো l
সূতরাং তোমাদেরকে আমি জেরুজালেমে একত্রিত
করবো l যেমনাকি মানুষেরা স্বর্ন,রৌপ,লোহা
আর টিনকে আগুনে নিক্ষেপ করার জন্য একত্রিত
করে,তেমনি আমিও গোস্বা ও রাগান্বিত
হয়ে তোমাদেরকে সেখানে একত্রিত করবো l অতপর
তোমাদেরকে আমি গলিয়ে দেব l আমি তোমাদের উপর
স্বীয় রোষাগ্নিকে উছলিয়ে দেব l তোমরা এ
অগ্নিতে পুড়ে ভষ্ম হয়ে যাবে l
ফলে তোমা বুঝতে পারবে যে,প্রভূ তোমাদের
উপর স্বীয় গোস্বা অবতরন করেছেন
l” [২২:১৯-২২ ]
তাদের কিতাবের “জেরমিয়া”(Jeremiah)
অধ্যায়ে এর থেকেও বেশি ধমকি বর্নিত হয়েছে –
“তাদের উপর শাস্তি ও ধ্বংস অনির্বার্য
হবার পর … l যার পর তাদের
লাশগুলি খোলা আকাশের
নিচে পড়ে থাকতে দেখা যাবে,সেখানে গাধ
কীড়া-মাকড়ের দল তাদের
লাশগুলো খেয়ে ফেলবে l এমনকি তাদের
বাদশা ও লিডারদের লাশগুলি পর্যন্ত
বিগলীত হয়ে যাবে l
ফলে হাড্ডিগুলো পচা কাষ্ঠের ন্যায়
ছড়িয়ে পড়বে l” [৮:৩]
ইহুদিরা তাদের জেরুজালেমে তাদের একত্রিত
হওয়াকে নিজেদের স্বাধীনতা ও বিজয়
মনে করে থাকে l অথচ তাদের কিতাবের
ভাষ্য অনুযায়ী এখানে একত্রিত
হওয়া তাদের জন্য অচিরেই ধ্বংস ও পতনের
কারন হবে l ইসরাইলের বর্তমান পরিস্থিতিও
বিষয়টিকে সত্যায়ন করে যাচ্ছে যে,ইসরাইল
অঙ্চলে ইহুদিদের আবাদ হওয়া এবং একত্রিত
হওয়া মানেই হচ্ছে ইসরাইলের ধ্বংস
সন্নিকটে হওয়া l সামনের দিন গুলোতে কত
ইহুদিকে ইসরাইলের বিভিন্ন সড়কের ধারে কুকুর-
বিড়ালের ন্যায়
পড়ে থাকতে দেখা যাবে একবার
ভাবুন !! তারা ঐ সকল
ইহুদি যারা সমস্ত পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিল
এবং বুক ভরা আশা আর
বড়ত্বকে সঙ্গে নিয়ে ইসরাইলে এসেছিল l আর আজ
কিনা তাদের স্বপ্নীল এলাটিই তাদের
জন্য জিন্দা কবরস্থান প্রমানীত
হয়েছে …!! {অপেক্ষা করুন সেদিন খুব
বেশি দূরে নয় }
তাদের কিতাব “ইয়ারমিয়াতে” আল্লাহ
তায়ালা বলেন –
বৃক্ষগুলি কেটে ফেল এবং জেরুজালেমের
বিরুদ্ধে একটি কেল্লা নিরমান কর l
এটা হচ্ছে ঐ শহর
যেখানে শ্বাস্তি দেওয়া হবে l এর
ভেতরে অন্যায় অবিচার ভরে উঠেছে l
যেমনাকি ঝর্ণা থেকে পানি ভরে উঠতে থাকে
পাপাচার উথলিয়ে উঠেছে l এর ভেতর
থেকে অত্যাচার আর প্রচন্ড অবাধ্যতার
আওয়াজ ভেষে আসছে l আর আমার (প্রভূর)
সামনে আঘাত ও দূঃখ-দূর্দশার
ধারাবাহীক অশুভ বাতাস আসতে শুরু
করেছে l”
“হে ইহুদি মেয়ে !! ভাল
করে তাকিয়ে দেখো !! উত্তর দিক
থেকে একটি জাতী উঠে আসতে শুরু করেছে l ঠিক
তেমনি যমীনের শেষভাগ থেকেও
একটি জাতীকে উঠিয়ে আনা হবে,তাদের
কাছে তীর আর কামান থাকবে l তাদের
অন্তরে কোনরূপ দয়া-মায়া থাকবে না l
তাদের ধ্বনিগুলো সমুদ্রের তরঙ্গের ন্যায় সব
কিছু তছনছ করে দিবে l ঘোড়ার উপর
চড়ে তারা দ্রুত বেগে দৌড়ে আসছে l যেমন-
মনে হয় তারা তোমাদের সাথে লড়াই
করার জন্য আসছে l
তাদের কিতাব “যীফেনিয়া” (Zephaniah)
তে এসেছে –
“তোমরা নিজেদেরকে একত্রিত কর! হ্যা …একত্রিত
করে নিজেদেরকে হে আল্লাহ’র অপছন্দনীয়
সম্প্রদায় !! আল্লাহ’র
ফয়সালা আসার পূর্বেই অথবা ঐ সময়
আসার পূর্বেই,যখন দিবসগুলি ভূসির মত
উঠে যেতে থাকবে অথবা আল্লাহ’র গযব
তোমাদের উপর নাযীল
হতে থাকবে অথবা আল্লাহ’র শাস্তির দিন
তোমাদের সামনে এসে পড়বে l ”
এই অপবিত্র ও অশুভ সম্প্রদায়ের
ব্যাপারে সর্বশেষ অংশটি “ইযাখীল”
থেকে তুলে ধরা হচ্ছে,যাতে করে ইয়াহুদিদের
পা চাটা গোলামেরা বুঝে নিতে পারে যে,
মনীবতূল্য লোকেরা কতটুকু সম্মানীত ও
ভদ্রতাপরায়ন জাতী l
ইযাখীলে এসেছে –
“তোমরা আমার পবিত্র বস্তুগুলো নষ্ট করেছ
এবং আমার অসংখ্য বিধানকে লাঙ্ছিত
করেছ l তোদের মধ্যেই ঐ সকল লোক
বিদ্যমান,যারা রক্ত প্রভাবীত করার
জন্য বাহানা খুজতে থাকে l তোদের মধ্য
থেকেই তারা বেশ্যালয়
পরিচালনা করে থাকে l তোদের মধ্যেই ঐ
সকল বিদ্যমান,যারা স্বীয় পিতার
লজ্জাস্থান কে খুলে থাকে l তোদের
মধ্যে বিদ্যমান লোকেরাই ঋতুস্রাবরত
মহীলাদের থেকে ভোগ উঠানোর চেষ্টা করে l
কেউ নিজের প্রতিবেশীর সাথে জিনা করে,কেউ
আপন বোনের সাথে খারাপ আচরন
করে থাকে,কেউ শালীর
সাথে প্রেমবাহানা করে থাকে,আর কেউ
নিজের বাপের মেয়ের সাথে ব্যাভিচার
করে থাকে l তারা সূদ গ্রহন
করে ফুলে উঠতে থাকে l তাদের
পথপ্রদর্শনকারীরা(ইহুদি আলেম সমাজ)
আমার বিধান নিয়ে ছিনী-মিনী খেলতে থাকে l
তারা লোকদেরকে ভূল পথে পরিচালীত
করে থাকে এবং আমার নাম
নিয়ে মিথ্যা ভ্রষ্ঠ পথ অবলম্বন করে থাকে l
তারা বলে যে,এটাই আল্লাহ’র আদেশ,অথচ
আল্লাহ তায়ালা কখনই এমনটি আদেশ
করেননি l” “ইযাখীল [২২:১-৯]”(ডক্টর ছফর
আল হাওয়ালী কতৃক রচীত ‘দি ডে অফ
রিথ’ এর অনুবাদ_ ﻱ
ﺐﻀﻐﻟﺍ থেকে সংগৃহীত)
কূরআন এ বর্নিত হয়েছে যে, _ ﺪﻋﻭ ﺀﺎﺟ ﺍﺫﺈﻓ
ﺎﻤﻬﻟﻭﺃ ﺎﻨﺜﻌﺑ ﻢﻜﻴﻠﻋ ﺎﻨﻟ ﺍﺩﺎﺒﻋ ﻲﻟﻭﺃ
ﺱﺄﺑ ﺵ
ﺍﻮﺳﺎﺠﻓ ﺭﺎﻳﺪﻟﺍ ﻞﻠﺧ .
অর্থাৎ - “হে বনী ইসরাইল
সম্প্রদায় ! যখন ঐ দুটি প্রতিস্রুত সময়ের
মধ্যে একটি এসে পড়বে,তগন আমি তোমাদের উপর
আমার এমন যুদ্ধবায বান্দাদের প্রেরন
করবো,যারা তোমাদের বস্তিগুলোর
অভ্যন্তরে ঢুকে পড়বে l”
ঐ যুদ্ধবায সম্প্রদায়ের
সম্পর্কে হাদিসে বর্নিত
হয়েছে যে,তারা খোরাসান(আফগানিস্থান)
এর দিক থেকে এসে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ
করবে l
একটা প্রশ্ন সবার মাথায়ই ঘুর পাক
খায় আর তা হল –
দাজ্জাল এর আত্বপ্রকাশের
পূর্বে আরবে অবস্থিত জোট সেনা (আমেরিকা ও
ব্রিটেন,ফ্রান্স সহ অন্যান্ন Nato ভূক্ত
দেশগুলি) কি সম্পূর্ন রূপে পতন হয়ে যাবে ?
যদি সম্পূর্ন রূপে পতন হয়ে তবে ইসরাইল
থাকবে নাকি শেষ হয়ে যাবে l
প্রথম প্রশ্নের উত্তরে বলতে গেলে – এ
বিষয়ে কিয়ামতের আলামত সংক্রান্ত হাদিস
গুলো অধ্যায়ন করলে পারে বুঝা যায়
যে,এতদাঞ্চলে অবস্থিত সকল দুশমন
সম্পূর্নরূপে পরাজয় বরন করবে l
কেননা সহী হাদিসের
মাধ্যমে একথা প্রমানিত যে,ইমাম
মাহদীর যুগে সম্পূর্ন শান্তি,নিরাপদ ও
স্বচ্ছলতার জীবন ফিরে আসবে l আর
এটি তখনই সম্ভব যখন,ইসলামের
দুশমনেরা এতদাঞ্চল
থেকে সম্পূরনরূপে পলায়ন করে চলে যাবে l
পাশা-পাশি রূম ও কনস্টান্টিপোল বিজয়ের
কথা নবীজির হাদিস দ্বারা প্রমানীত
l এবং আরব অঙ্চলে বিদ্যমান শত্রু পক্ষ
পরাজয় বরন করবে (যারা ১৯৯১
সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের বাহানায় আরব
সাগরের নানা স্থানে সমগ্র আবর
বিশ্বেকে বৃত্তাকারে পরিবেষ্টন করে নৌ/স্থল ও
বিমান ঘাটি গেড়েছে ) l আর বাকি রইল
ইসরাইল প্রসঙ্গ l স্পষ্টতই বুঝা যায়
যে,জোটবদ্ধ কাফেরদের যখন সম্পূর্ন পতন
হয়ে যাবে তখন ইসরাইলের শক্তিও নিঃশেষ
হয়ে যাবে l
দাজ্জালের ব্যাপারে হাদিসে বর্নিত
হয়েছে যে, ‘সে কোন একটি বিষয়ে রাগান্বিত
হয়ে আত্বপ্রকাশ করবে’ l হতে পারে যখন
কূফরী শক্তি সম্যক পরাজ্বয়ের সম্মুক্ষীন
হবে তখন দাজ্জাল গোস্বা আবস্থায়
আত্বপ্রকাশ করে ফেলবে l ফলে পরাজিত
কুফরী শক্তি পূনরায় তার সাথে একত্রিত
হবে l
এখানে আমি ইহুদিদের কিতাব (তাওরাত)
থেকে কতিপয় উদৃতি পেশ করছি,যেখানে পরিষ্কার
ভাবে বলা আছে যে,ইহুদিদের অপকর্মের
কারনে আল্লাহ
তায়ালা ইসরাইল’কে সম্পূর্ন ধ্বংস
করে দিবেন –
যদিয় ইহুদি সম্প্রদায় এসকল
আয়াতে অপব্যাখ্যার আশ্রয় নেয় l
ইসরায়েল অঙ্চলে প্রত্যাবর্তন ও
তা পূর্নতা দেওয়ার জন্য
ইহুদিরা যে দিনটির প্রহর গুনছে, সে দিনের
ব্যাপারে স্বয়ং তাদের কিতাবে বড়
আশ্চর্য ধরনের নকশা টানা হয়েছে l কিন্তু
ইহুদিরা তাদের চিরাচরিত স্বভাব ও
ধোকাবাযীর আশ্রয় নিয়ে এগুলোকে ভূল
অর্থে ব্যাখ্যা করে লোকদেরকে ধোকায় ফেলার
চেষ্টা করে l তাদের কিতাবের ‘ইযাখীল’
অধ্যায়ে বর্নিত হয়েছে –
“ অতপর আল্লাহ তায়ালা বলেন
যে,কেননা তোমরা (ইহুদি সম্প্রদায়) আমার
কাছে অত্যন্ত বখাটে ও লম্পট সাব্যস্ত
হয়েছো l
সূতরাং তোমাদেরকে আমি জেরুজালেমে একত্রিত
করবো l যেমনাকি মানুষেরা স্বর্ন,রৌপ,লোহা
আর টিনকে আগুনে নিক্ষেপ করার জন্য একত্রিত
করে,তেমনি আমিও গোস্বা ও রাগান্বিত
হয়ে তোমাদেরকে সেখানে একত্রিত করবো l অতপর
তোমাদেরকে আমি গলিয়ে দেব l আমি তোমাদের উপর
স্বীয় রোষাগ্নিকে উছলিয়ে দেব l তোমরা এ
অগ্নিতে পুড়ে ভষ্ম হয়ে যাবে l
ফলে তোমা বুঝতে পারবে যে,প্রভূ তোমাদের
উপর স্বীয় গোস্বা অবতরন করেছেন
l” [২২:১৯-২২ ]
তাদের কিতাবের “জেরমিয়া”(Jeremiah)
অধ্যায়ে এর থেকেও বেশি ধমকি বর্নিত হয়েছে –
“তাদের উপর শাস্তি ও ধ্বংস অনির্বার্য
হবার পর … l যার পর তাদের
লাশগুলি খোলা আকাশের
নিচে পড়ে থাকতে দেখা যাবে,সেখানে গাধ
কীড়া-মাকড়ের দল তাদের
লাশগুলো খেয়ে ফেলবে l এমনকি তাদের
বাদশা ও লিডারদের লাশগুলি পর্যন্ত
বিগলীত হয়ে যাবে l
ফলে হাড্ডিগুলো পচা কাষ্ঠের ন্যায়
ছড়িয়ে পড়বে l” [৮:৩]
ইহুদিরা তাদের জেরুজালেমে তাদের একত্রিত
হওয়াকে নিজেদের স্বাধীনতা ও বিজয়
মনে করে থাকে l অথচ তাদের কিতাবের
ভাষ্য অনুযায়ী এখানে একত্রিত
হওয়া তাদের জন্য অচিরেই ধ্বংস ও পতনের
কারন হবে l ইসরাইলের বর্তমান পরিস্থিতিও
বিষয়টিকে সত্যায়ন করে যাচ্ছে যে,ইসরাইল
অঙ্চলে ইহুদিদের আবাদ হওয়া এবং একত্রিত
হওয়া মানেই হচ্ছে ইসরাইলের ধ্বংস
সন্নিকটে হওয়া l সামনের দিন গুলোতে কত
ইহুদিকে ইসরাইলের বিভিন্ন সড়কের ধারে কুকুর-
বিড়ালের ন্যায়
পড়ে থাকতে দেখা যাবে একবার
ভাবুন !! তারা ঐ সকল
ইহুদি যারা সমস্ত পৃথিবীতে ছড়িয়ে ছিল
এবং বুক ভরা আশা আর
বড়ত্বকে সঙ্গে নিয়ে ইসরাইলে এসেছিল l আর আজ
কিনা তাদের স্বপ্নীল এলাটিই তাদের
জন্য জিন্দা কবরস্থান প্রমানীত
হয়েছে …!! {অপেক্ষা করুন সেদিন খুব
বেশি দূরে নয় }
তাদের কিতাব “ইয়ারমিয়াতে” আল্লাহ
তায়ালা বলেন –
বৃক্ষগুলি কেটে ফেল এবং জেরুজালেমের
বিরুদ্ধে একটি কেল্লা নিরমান কর l
এটা হচ্ছে ঐ শহর
যেখানে শ্বাস্তি দেওয়া হবে l এর
ভেতরে অন্যায় অবিচার ভরে উঠেছে l
যেমনাকি ঝর্ণা থেকে পানি ভরে উঠতে থাকে
পাপাচার উথলিয়ে উঠেছে l এর ভেতর
থেকে অত্যাচার আর প্রচন্ড অবাধ্যতার
আওয়াজ ভেষে আসছে l আর আমার (প্রভূর)
সামনে আঘাত ও দূঃখ-দূর্দশার
ধারাবাহীক অশুভ বাতাস আসতে শুরু
করেছে l”
“হে ইহুদি মেয়ে !! ভাল
করে তাকিয়ে দেখো !! উত্তর দিক
থেকে একটি জাতী উঠে আসতে শুরু করেছে l ঠিক
তেমনি যমীনের শেষভাগ থেকেও
একটি জাতীকে উঠিয়ে আনা হবে,তাদের
কাছে তীর আর কামান থাকবে l তাদের
অন্তরে কোনরূপ দয়া-মায়া থাকবে না l
তাদের ধ্বনিগুলো সমুদ্রের তরঙ্গের ন্যায় সব
কিছু তছনছ করে দিবে l ঘোড়ার উপর
চড়ে তারা দ্রুত বেগে দৌড়ে আসছে l যেমন-
মনে হয় তারা তোমাদের সাথে লড়াই
করার জন্য আসছে l
তাদের কিতাব “যীফেনিয়া” (Zephaniah)
তে এসেছে –
“তোমরা নিজেদেরকে একত্রিত কর! হ্যা …একত্রিত
করে নিজেদেরকে হে আল্লাহ’র অপছন্দনীয়
সম্প্রদায় !! আল্লাহ’র
ফয়সালা আসার পূর্বেই অথবা ঐ সময়
আসার পূর্বেই,যখন দিবসগুলি ভূসির মত
উঠে যেতে থাকবে অথবা আল্লাহ’র গযব
তোমাদের উপর নাযীল
হতে থাকবে অথবা আল্লাহ’র শাস্তির দিন
তোমাদের সামনে এসে পড়বে l ”
এই অপবিত্র ও অশুভ সম্প্রদায়ের
ব্যাপারে সর্বশেষ অংশটি “ইযাখীল”
থেকে তুলে ধরা হচ্ছে,যাতে করে ইয়াহুদিদের
পা চাটা গোলামেরা বুঝে নিতে পারে যে,
মনীবতূল্য লোকেরা কতটুকু সম্মানীত ও
ভদ্রতাপরায়ন জাতী l
ইযাখীলে এসেছে –
“তোমরা আমার পবিত্র বস্তুগুলো নষ্ট করেছ
এবং আমার অসংখ্য বিধানকে লাঙ্ছিত
করেছ l তোদের মধ্যেই ঐ সকল লোক
বিদ্যমান,যারা রক্ত প্রভাবীত করার
জন্য বাহানা খুজতে থাকে l তোদের মধ্য
থেকেই তারা বেশ্যালয়
পরিচালনা করে থাকে l তোদের মধ্যেই ঐ
সকল বিদ্যমান,যারা স্বীয় পিতার
লজ্জাস্থান কে খুলে থাকে l তোদের
মধ্যে বিদ্যমান লোকেরাই ঋতুস্রাবরত
মহীলাদের থেকে ভোগ উঠানোর চেষ্টা করে l
কেউ নিজের প্রতিবেশীর সাথে জিনা করে,কেউ
আপন বোনের সাথে খারাপ আচরন
করে থাকে,কেউ শালীর
সাথে প্রেমবাহানা করে থাকে,আর কেউ
নিজের বাপের মেয়ের সাথে ব্যাভিচার
করে থাকে l তারা সূদ গ্রহন
করে ফুলে উঠতে থাকে l তাদের
পথপ্রদর্শনকারীরা(ইহুদি আলেম সমাজ)
আমার বিধান নিয়ে ছিনী-মিনী খেলতে থাকে l
তারা লোকদেরকে ভূল পথে পরিচালীত
করে থাকে এবং আমার নাম
নিয়ে মিথ্যা ভ্রষ্ঠ পথ অবলম্বন করে থাকে l
তারা বলে যে,এটাই আল্লাহ’র আদেশ,অথচ
আল্লাহ তায়ালা কখনই এমনটি আদেশ
করেননি l” “ইযাখীল [২২:১-৯]”(ডক্টর ছফর
আল হাওয়ালী কতৃক রচীত ‘দি ডে অফ
রিথ’ এর অনুবাদ_ ﻱ
ﺐﻀﻐﻟﺍ থেকে সংগৃহীত)
কূরআন এ বর্নিত হয়েছে যে, _ ﺪﻋﻭ ﺀﺎﺟ ﺍﺫﺈﻓ
ﺎﻤﻬﻟﻭﺃ ﺎﻨﺜﻌﺑ ﻢﻜﻴﻠﻋ ﺎﻨﻟ ﺍﺩﺎﺒﻋ ﻲﻟﻭﺃ
ﺱﺄﺑ ﺵ
ﺍﻮﺳﺎﺠﻓ ﺭﺎﻳﺪﻟﺍ ﻞﻠﺧ .
অর্থাৎ - “হে বনী ইসরাইল
সম্প্রদায় ! যখন ঐ দুটি প্রতিস্রুত সময়ের
মধ্যে একটি এসে পড়বে,তগন আমি তোমাদের উপর
আমার এমন যুদ্ধবায বান্দাদের প্রেরন
করবো,যারা তোমাদের বস্তিগুলোর
অভ্যন্তরে ঢুকে পড়বে l”
ঐ যুদ্ধবায সম্প্রদায়ের
সম্পর্কে হাদিসে বর্নিত
হয়েছে যে,তারা খোরাসান(আফগানিস্থান)
এর দিক থেকে এসে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ
করবে l
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন